August 28, 2026, 12:54 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
অবৈধ বালু উত্তোলন ঠেকাতে কুষ্টিয়ায় পদ্মাপাড়ে প্রশাসনের লাল পতাকা নেপাল-চীন সীমান্তে ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধস: নিহত ১৭৭, নিখোঁজ ১,৩৮৪ মেহেরপুরে গভীর রাতে ঘরে ঢুকে যুবতীর কব্জি কেটে নিল যুবক আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সংকট/শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বাসস্থান ও ভবনের ব্যবহার নিয়ে কিছু প্রশ্ন ছয় মাসের অর্থনৈতিক পর্যালোচনা/বন্ধ হয়েছে ৯৫ কারখানা, কাজ হারিয়েছেন প্রায় ৬২ হাজার শ্রমিক সারের বরাদ্দ আছে, সংকট কোথায়? দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১০ জেলায় সার বরাদ্দ দিয়েছে সরকার, কিন্তু কৃষকের হাতে যাচ্ছে না কুষ্টিয়ায় ফিরল দেবাশীষ ও স্ত্রী-সন্তানের নিথর দেহ, রাতেই স্ব স্ব ধর্মীয় রীতিতে শেষ বিদায় সরকারি বিজ্ঞাপনে শৃঙ্খলা ফেরাতে ডিএফপির কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ জরুরি রবীন্দ্র মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, প্রতিবাদ ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের

চুয়াডাঙায় চুরির অভিযোগ এনে বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় চুরির অভিযোগ তুলে খুঁটিতে বেধে প্রকাশ্যে মধ্যযুগীয় কায়দায় সাদ্দাম হোসেন (২২) নামে এক যুবককে নির্যাতন করেছে এক দোকানী। পুলিশ মঙ্গলবার রাতে ঐ দোকানীকে আটক করেছে। পাশাপাশি পুলিশের দাবি সাদ্দামও স্বভাবে একজন ‘চোর’। ।
সাদ্দাম আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার থানাপাড়ার আকমল হোসেনের ছেলে।
জেলার আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার হাফিজ মোড়ে শেখ ট্রেডার্স নামক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে মঙ্গলবার দুপুরের পরে ওই ঘটনা ঘটে।
নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িযে পড়লে সন্ধ্যার পরে বিষয়টি জানাজানি হয়।
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম শেখ ট্রেডার্সের মালিক ব্যবসায়ী শেখ আমানুল্লাহার বিভিন্ন পণ্যের ডিলারশিপ আছে। মঙ্গলবার দুপুরে একটি গাড়িতে অর্ডারের পন্য আনলোড করছিলেন শ্রমিকরা। এসময় সাদ্দাম হোসেন ওই গাড়ি থেকে নুডুলস ও কিছু মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়। শ্রমিকরা তাকে ধাওয়া করে ধরে ব্যবসায়ী আমানুল্লাহর কাছে হস্তান্তর করেন।
এরপর প্রকাশ্যে দোকানের খুঁটিতে সাদ্দামের দুই হাত বেঁধে একটি পাইপ দিয়ে পেটানো হয়।
এসময় সেখানে ২০ থেকে ৩০ জন লোক দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তবে কেউ মারধর ঠেকাতে এগিয়ে আসেনি। নির্যাতনের ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মধ্যযুগীয় এই ধরনের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেকে।
শেখ আমানুল্লাহ সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন তার প্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনায় তিনি অতিষ্ট ছিলেন। সাদ্দামকে হাতেহাতে ধরে তার কাছে নিয়ে আসে স্থানীয়রা। তখন তিনি তাকে খুঁটিতে বেঁধে মারধর করেছেন। তিনি জানান তিনি সাদ্দামকে ভাল পথে আনার জন্যে শাস্তি দিয়েছেন।
ওসি সাইফুল জানান, খবর পেয়ে সন্ধ্যার দিকে ঘটনাস্থল থেকে সাদ্দামকে উদ্ধার করে থানায় নেয়া হয়। তিনি জানান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্যাতনের ভিডিও দেখেছেন। এভাবে কেউ আইন হাতে তুলে নিতে পারেন না। সাদ্দাম যদি চুরি করে তাহলে তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দেয়া উচিৎ ছিল।
তিনি আরও বলেন, নির্যাতনের বিষয়ে সাদ্দাম বা তার পরিবার অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি রাতেই শেখ আমানুল্লাহকে আটক করে থানায় নেন। তিনি নির্যাতনের কথা স্বীকার করেছেন।
তবে ওসি বলেন, সাদ্দাম হোসেন একজন ছোটখাট অপরাধী। তার বিরুদ্ধে আলমডাঙ্গা থানায় একটি চুরি ও একটি ছিনতাই মামলা চলমান রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন অপরাধে একাধিকবার তাকে আটকও করেছে পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net